লোহার কামাররা যেমন তাদের অগ্ন্যুদ্দীপক চামড়ার যন্ত্রকে অর্থাৎ হাপর বা ভস্ত্রাকে একবার বায়ু শূন্য করে পরক্ষণেই বায়ু পূর্ণ করে দেয়, তেমনি কপালভাতি অভ্যাসকারীকে ৬নং ছবির মত পদ্মাসন বা মুক্তপদ্মাসন-এ  বসে চোখ বন্ধ করে সশব্দে নাকের মাধ্যমে দ্রুত শ্বাসযন্ত্রকে বায়ুপূর্ণ এবং পরক্ষণেই বায়ুশূন্য করতে হবে। অর্থাৎ দ্রুত দম নিতে ও ছাড়তে হবে।


দম নেওয়ার চাইতে দম ছাড়া খুব জোরের সঙ্গে অনেক বেশী পরিমাণে হবে। এই অবস্থায় দম নেওয়া ও ছাড়ার সময়ে তলপেট ভিতরে ও বাইরে যাওয়া আসা করবে। মেরুদণ্ড, বুক ও কাঁধ যতটা সম্ভব স্থির রাখার চেষ্টা করবেন।


প্রথম শিক্ষার্থী সামর্থ্য অনুযায়ী ১৫/২০ বার অভ্যাস করার পর সামর্থ্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মিনিটে ৫০/৬০ বার থেকে ১২০ বার পর্যন্ত অভ্যাস করতে পারেন।


উপকারিতা


কপালভাতি অভ্যাসে কফ্ দোষ বিনষ্ট হয়, কপালে সর্দি জমতে পারে না। সাইনাস্ থাকলে দ্রুত সেরে যায় এবং কপালভাতি অভ্যাসে সাইনাস্ হবার সম্ভাবনা থাকে না।


এছাড়া হৃদযন্ত্র সবল হয়। এই ক্রিয়া কোষ্ঠ পরিষ্কারে সাহায্য করে। পেটের মেদ কমায়।