সুপ্ত বজ্রাসন বজ্রাসন-এর একটু প্রকার ভেদ। শায়িত অবস্থায় অভ্যাস করতে হয়। তাই এর নাম সুপ্ত বজ্রাসন।

বজ্রাসন-এ ভালভাবে অভ্যস্ত হলে তারপর সুপ্ত বজ্রাসন অভ্যাস করা উচিত। 

প্রণালী


২০ নং ছবির মতো বজ্রাসন-এ উপবেশন করুন। এইবার কনুই বা হাতের উপর ভর দিয়ে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ুন। এই অবস্থায় পৃষ্ঠদেশ যাতে ভূমি স্পর্শ সেদিকে দৃষ্টি রাখুন। 


প্রথম অবস্থায় মেরুদণ্ড বেঁকে থাকে, অভ্যাসের দ্বারা ক্রমান্বয়ে বক্রতা কমে যাওয়ায় মেরুদণ্ড প্রায় সরলভাবে ভূমি স্পর্শ করে। 


এখন হাত দু'টি কনুই থেকে ভেঙে পরস্পর সংলগ্ন করে ২১ নং ছবির মত মাথার পাশে বালিশের মত রাখুন এবং চোখ বন্ধ করুন।


এই আসন প্রথম প্রথম ৩০ সেকেন্ড করে ৪ বার অভ্যাস করতে হয়। 


৩ মিনিটের বেশি কখনও এই আসনে অবস্থান করা উচিত নয়। সুপ্ত বজ্রাসন থেকে ওঠবার সময় প্রথমে পা দুটি খুলে ছড়িয়ে দিয়ে পরে হাতের উপর ভার দিয়ে উঠে বসতে হয়।




উপকারিতা

আসন-এর সমস্ত ফলই সুপ্ত বজ্রাসনে আরও ভালোভাবে পাওয়া যায়। শুয়ে পড়ার দরুন নৌলীতে টান পড়ায় মলভাণ্ড ও অন্ত্রের ব্যায়াম হয়। ফলে কোষ্ঠ বেশ পরিষ্কার হয়।

এই আসন অভ্যাসে লাম্বাগো বা কোমরের বাত রোগের তীব্রতা কম থাকে।