এই আসন-এ অবস্থানের সময় আসনকারীকে অনেকটা উষ্ট্রের মত দেখায়। তাই মনে হয় এই আসনের নাম উষ্ট্রাসন।



প্রণালী


হাঁটু গেড়ে বসুন। পিছন দিকে হাত ঘুরিয়ে দু'হাত দিয়ে দু'পায়ের গোড়ালি ধরুন। এইবার আস্তে আস্তে ৪২ নং ছবির মতো পেট ও বুক যতদূর সম্ভব সামনে এগিয়ে দিয়ে মাথা পিছন দিকে নিয়ে গিয়ে দেহটাকে ধনুকের মত বাঁকান।


এই অবস্থায় হাঁটুর উপর থেকে কন্ঠ পর্যন্ত যাতে হাল্কা টান পড়ে, সে দিকে দৃষ্টি রাখুন।


এই আসন প্রথম প্রথম ৩০ সেকেন্ড করে ৪ বার অভ্যাস করুন।


প্রতিবার অভ্যাসের পর ৩০ সেকেন্ড শবাসন করা প্রয়োজন।


এই আসন শশাংগাসন-এর পরিপূরক।


উপকারিতা


এই আসন অভ্যাসে মেরুদণ্ড নমনীয় হয় অথচ মেরুদণ্ড সংলগ্ন স্নায়ু, পেশীতন্তু প্রভৃতি সবল হয়। নমনীয় থাকলে এই আসন অভ্যাসকারীর দেহ বৃদ্ধ বয়সেও বার্ধক্য ও জরাগ্রস্ত হয় না।


বার্ধক্যকে ঠেকিয়ে রাখতে এই আসন শুধুমাত্র বিশেষ ফলপ্রদ তা নয়, উচ্চতা বৃদ্ধিরও সহায়ক।


এই আসন-এ বুকের বেষ্টনীর হাড় বাড়ে। বুকের খাঁচার আকার বৃদ্ধি পায়।


যাদের বুকের গড়ন পায়রার মত, তারা এই আসন অভ্যাস করলে বুকের গড়ন স্বাভাবিক হবে।


এ ছাড়া এই আসন অভ্যাসে বস্তিস্নায়ু সবল হওয়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে যায় এবং বীর্যধারণশক্তি বৃদ্ধি পাওয়ায় সুপ্তিস্খলন হ্রাস পায়।


এই আসন অভ্যাসে হাঁপানি সেরে যায়।