উৎকটাসন
প্রথম প্ৰণালী
দু'পায়ের আঙ্গুলের ওপর ভর দিয়ে দুপায়ের গোড়ালি এইবার দু'জানুর ওপর দুহাত রেখে হাঁটু ভেঙ্গে গুহ্যদেশ দু পায়ের গোড়ালির ওপর রাখুন ও ২৭ নং ছবির মত সোজা হয়ে বসুন। এই অবস্থায় দু হাঁটু জোড়া করেও অভ্যাস করা যায়।
প্রথম শিক্ষার্থী, প্রতি বারে ২০ সেকেন্ড করে ৪ বার অবস্থান করবেন। পরে সামর্থ্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই আসন অভ্যাসের সময় ক্রমান্বয়ে বাড়াতে হবে।
উপকারিতা
এটি অভ্যাসে জানুর সংযোগস্থলের স্নায়ু ও পেশী সবল হওয়ায় হাঁটুতে বাত হতে পারে না। কটিবাত থাকলে সেরে যায় এবং পায়ের গোদ সারাতে সাহায্য করে।
সহজ বস্তিক্রিয়া অভ্যাসে এই আসন-এর বিশেষ প্রয়োজন।
দ্বিতীয় প্রণালী
পায়ের পাতা দুটি ৭/৮ ইঞ্চি ফাঁক রেখে হাত দুটি সামনে প্রসারিত করে মেঝের সঙ্গে সমান্তরাল রেখে সোজা হয়ে দাঁড়ান।
এইবার হাঁটু ভেঙে চেয়ারে বসার ভঙ্গিমায় ২৮ নং ছবির মত মেরুদণ্ড সোজা রেখে বসুন।
এই আসন স্বাভাবিকভাবে দম নিতে নিতে ও ছাড়তে ছাড়তে প্রতিবারে ২০/৩০ সেকেন্ড করে ৪ বার অভ্যাস করতে হবে এবং প্রতিবার আসন অভ্যাসের পর ২০/৩০ সেকেন্ড শবাসন অভ্যাস করতে হবে।
উপকারিতা
প্রথম প্রণালীর বর্ণিত প্রায় সকল উপকারই এই প্রণালী অভ্যাসে পাওয়া যায়। উপরে বর্ণিত দুটি প্রণালীর মধ্যে প্রথম প্রণালীটি অভ্যাস অধিকতর সহজসাধ্য।

