প্রণালী

বজ্রাসন-এ বসে দুহাতের আঙ্গুল (তর্জনি) দিয়ে ৭৭ নং ছবির মতো দুই কানের ছিদ্র হাল্কা করে বন্ধ করতে হবে। প্রথমে দম নিয়ে ১০ সেকেন্ড কুম্ভক করুন।





তারপর ভ্রমরের ডাকের মতো শব্দ করতে করতে রেচক করুন। পরে আবার স্বাভাবিক দম নিয়ে ১০ সেকেন্ড কুম্ভক করে ধীরে ধীরে পুনরায় ভ্রমরের ডাকের মত শব্দ করতে করতে রেচক করুন।


রেচক-এর সময় আমাদের স্বরযন্ত্র (ভোকাল্ কর্ড) যখন কাঁপবে তখন স্বরযন্ত্রের কম্পন আমাদের কানের পর্দায় (টিপ্যানিক মেনে) যেন অনুভূত হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।


এইভাবে পুরক, কুম্ভক রেচক অভ্যাস করলে একবার ভ্রামরী অভ্যাস করা হয়।


এই প্রাণায়াম চার দফায় অভ্যাস করতে হবে। প্রতি দফায় পাঁচবার পুরক, কুম্ভক রেচক করতে হবে।


প্রতি দফা অভ্যাসের পর ১৫ সেকেন্ড শবাসন অভ্যাস করতে হবে।


উপকারিতা


এই প্রাণায়াম অভ্যাসে শ্রবণেন্দ্রিয়ের কাজ ভাল হয় গলার স্বর মিষ্ট হয় এবং গলায় শ্লেষ্মা জমে না।


যারা কানে কম শোনে তারা এই প্রাণায়াম অভ্যাস করলে তাদের শ্রবণেন্দ্রিয়ের উন্নতি হয়, তারা স্বাভাবিকভাবে কানে শুনতে পায়।


শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। যোগীন্দ্রগণ বলেন—এই ভ্রামরী কুম্ভক অভ্যাস করে অনির্বচনীয় আনন্দ অনুভব করতে পারেন।