শীতলী
অধর ও ওষ্ঠের মাঝখান দিয়ে জিহ্বাগ্রকে বার করে যে কোন ধ্যানাসন-এ বসুন। এখন অধর ওষ্ঠকে পাখির ঠোঁটের মতো করে জিহ্বার আগা দিয়ে ধীরে ধীরে বায়ু গ্রহণ বা পুরক করুন।
পুরক শেষে আকর্ষিত বায়ু জালন্ধরবন্ধ, উড্ডীয়ান ও মূলবন্ধ মুদ্রা তিনটি মুদ্রা দ্বারা ধারণ করে নিজ সামর্থ্যমত ১৫/২০ সেকেন্ড কুম্ভক করুন—যে পর্যন্ত না পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত দেহস্থ নাড়ীসমূহের বায়ু রোধ হয়।
এই বার উভয় নাক দিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে বায়ু ত্যাগ বা রেচক করুন। ঠিক এই রকমভাবে এই প্রাণায়াম কমপক্ষে ৫ মিনিট অভ্যাস করুন।
আমার মনে হয় রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীরা কেবলমাত্র পুরক এবং রেচক অভ্যাস করলে খুব ভাল ফল লাভ করবে।
পুরক-এর সময় শরীরের অভ্যন্তরে ঠাণ্ডা বাতাসের প্রবেশ অনুভব করবেন। এবং সাধারণভাবে রেচক করবেন। মোটেই কুম্ভক অভ্যাস করবেন না।
উপকারিতা:
যোগীরা বলেন—এই প্রাণায়াম অভ্যাসে রক্ত শুদ্ধ হয় এবং প্রাণশক্তি এত বৃদ্ধি পায় যে বিষাক্ত সাপ কামড়ালেও এই প্রাণায়াম অভ্যাসকারীর মৃত্যু হয় না।
পিত্তপ্রধান নরনারীর পক্ষে এই প্রাণায়াম বিশেষ উপকারী। উচ্চচাপের রোগীরা এই প্রাণায়াম-এ আশ্চর্য সুফল লাভ করবেন।
