৩১ বছর বা তার বেশি বয়সীদের যোগব্যায়াম
সাধারণ সুস্থ মানুষের যোগব্যায়াম করারও কিছু নিয়ম আছে। সেগুলো আগে জানতে হবে। ভাল ফলাফল পেতে ব্যায়ামের পাশাপাশি সাধারণ নিয়মকানুন জানাও খুবই দরকার। এক্ষেত্রে সুস্থদের যোগব্যায়ামের নিয়মকানুন ভালভাবে পড়ে নিন।
৩১ বছর বা তার বেশি বয়সীদের খালি হাতে ব্যায়ামগুলোর তালিকা নিম্নরূপ:
প্রথমে খালি হাতে ব্যায়াম শেষ করার পর ২/৩ মিনিট শবাসন করতে হবে। শবাসন শেষ হলে নিচের আসনগুলো করতে হবে।
উক্ত আসনগুলো করার পর পাঁচ মিনিট শবাসন করে ব্যায়াম শেষ করতে হবে।
উপকারিতা
পায়ের বাত, সায়টিকা বাত, কটিবাত ও কোমরের ব্যথা ভাল হয়ে যায়।
মেরুদণ্ড বাঁকা হয় না। মেরুদণ্ডের কর্মক্ষমতার উপরই আমাদের যৌবন ও স্বাস্থ্য নির্ভর করে।
মেরুদণ্ড যত সোজা ও নমনীয় রাখতে পারব, দেহাভ্যন্তরের যন্ত্রগুলি তত ভালভাবে কাজ করবার দরুন আমাদের যৌবন তত অটুট থাকবে।
বাঁকা মেরুদণ্ড সোজা হয়।
একাগ্রতা বাড়বে। দীর্ঘজীবন লাভ করার পথে এগিয়ে যেতে পারবেন।
পাইলস (অর্শ) হবে না। থাকলে সেরে যাবে।
মূত্রপ্রদাহ থেকে মুক্ত থাকবেন।
যারা রাতে ঘুমাতে পারেন না তাদের জন্য খুবই উপকারী এই ব্যায়াম তালিকা। নিয়মিত অভ্যাসে খুব সহজেই নিদ্রাহীনতা (ইন্সম্নিয়া) দুর হবে।
যৌন আকাঙ্খা দমন করে কামরিপুকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখবে।
কোষ্ঠকাঠিন্য হবে না।
মেরুদণ্ড নমনীয় অথচ সবল হওয়ায় বার্ধক্য সহজে আক্রমণ করতে পারবে না। যৌবন দীর্ঘস্থায়ী হবে।
এডরেনাল গ্রন্থির কাজ ভাল হবে।
কিড্নি ভাল থাকবে।
তলপেটের সংকোচনের দরুন পাকস্থলী, যকৃৎ, পাচনতন্ত্র, মূত্রাশয় ও প্যানক্রিয়াস প্রভৃতি পুষ্ট হওয়ায় কোষ্ঠবদ্ধতা, অজীর্ণ, ডায়াবেটিস প্রভৃতি দুর হতে সাহায্য করবে এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে।
রক্তাল্পতা রোগী আরাম পাবে।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
যকৃত, প্লীহা ও পাকস্থলীর দুর্বলতাজনিত রোগ সেরে যাবে।
পেট থেকে বায়ু নিঃসরণে সহায়তা করে পেটের পেশীকে সবল করবে, পেটের চর্বি কমাবে এবং জানুর ও পাছার পেশীর স্থিতিস্থাপকতা বাড়াবে।
মধ্যচ্ছদা অর্থাৎ বুক ও পেটের মাঝখানকার পর্দাটির ক্রিয়া ভাল হওয়ায় হৃদযন্ত্র ও হজমযন্ত্রের কাজ ভাল হবে।
ক্ষুধা বৃদ্ধি করবে, খাবার পর পেটফাঁপা রোগ সেরে যাবে।
মেয়েদের অনেকদিনের ঋতুকালীন মাজা ব্যথা আরোগ্য হবে।
এডরেনাল গ্রন্থির কাজ ভাল হবে।
