সাধারণ সুস্থ মানুষের যোগব্যায়াম করারও কিছু নিয়ম আছে। সেগুলো আগে জানতে হবে। ভাল ফলাফল পেতে ব্যায়ামের পাশাপাশি সাধারণ নিয়মকানুন জানাও খুবই দরকার। এক্ষেত্রে সুস্থদের যোগব্যায়ামের নিয়মকানুন ভালভাবে পড়ে নিন। 

এই বয়সের প্রথম ব্যায়াম অভ্যাসকারীর বেলায় প্রথম এক মাস ১০ থেকে ১২ বছর বয়সীদের যোগব্যায়াম করতে হবে। 


এক মাস পর নিচের তালিকা অনুযায়ী খালি হাতে ব্যায়াম করতে হবে। 

খালি হাতে ব্যায়াম-১

খালি হাতে ব্যায়াম-২

খালি হাতে ব্যায়াম-৩

খালি হাতে ব্যায়াম-৫

খালি হাতে ব্যায়াম-৬

খালি হাতে ব্যায়াম-৭

খালি হাতে ব্যায়াম-৮


প্রথমে খালি হাতে ব্যায়াম শেষ করার পর ২/৩ মিনিট শবাসন করতে হবে। শবাসন শেষ হলে নিচের আসনগুলো অর্ধমাত্রায় করতে হবে। বাচ্চাদের অর্ধমাত্রায়ই আসন করার বিধান। 







হলাসন


মৎস্যাসন



উক্ত আসনগুলো অর্ধমাত্রায় করার পর বাচ্চারা পাঁচ মিনিট শবাসন করে ব্যায়াম শেষ করবে। 

শিশুদের যোগব্যায়ামের উপকারিতা


শরীরের জন্য ব্যায়াম দরকার। এমনকি শিশুদের জন্যও। আজকের দিনে শিশুদের জন্য বাইরে ছোটাছুটি, দৌড়ঝাঁপ করার সুযোগ কম। এজন্য ঘরেই শিশুরা যোগব্যায়াম করতে পারে। 


যোগব্যায়ামে হৃৎপিণ্ড সুস্থ থাকে। পেশি টানটান করার অনুশীলন হয়। মানসিক চাপ কমে। শিশুরা নানা ধরনের চাপে থাকতে পারে, যা তারা অনেক সময়ই প্রকাশ করতে পারে না। 


পরীক্ষার চাপ, চারপাশের অস্থিরতা, পারিবারিক অশান্তি, এমনকি নিজের শারীরিক সমস্যার কারণেও চাপে থাকতে পারে শিশু। ক্ষেত্রবিশেষে শিশু আগ্রাসী হয়ে ওঠে। 


যোগব্যায়ামে ধ্যানের ধারণা দেওয়া হয়। ফলে শিশু চিন্তাকে একদিকে কেন্দ্রীভূত করতে শেখে, শিশুর মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে। মস্তিষ্ক স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে। 


যোগব্যায়াম করলে শিশু মানসিকভাবে স্থির হয়, হতাশা দূর হয়। বিশেষত আমাদের সমাজে মেয়েদের এই আত্মবিশ্বাস খুবই জরুরি।