শীতকালে শরীরে ব্যথা, ব্যথা এবং শক্ত হয়ে যাওয়া একটি কারণে বেশি দেখা যায়। পেশী সংকুচিত হয় এবং শক্ত হয়ে যায় যখন বাইরে ঠান্ডা থাকে এবং কম রোদ থাকে। 

শরীরের মধ্যে তাপ তৈরি করার জন্য পেশীগুলি সংকুচিত হতে শুরু করে। একটি লক্ষণ যে শরীর নিজে থেকে তাপ তৈরি করার চেষ্টা করছে তা হল কাঁপুনি। সূর্যের আলো না থাকায় শীতকালীন নিষ্ক্রিয়তা আরও বেড়ে যায়।

শীতকালে যোগব্যায়াম

যোগব্যায়াম আপনাকে নমনীয়তা বজায় রাখতে, শারীরিক ব্যথা এবং যন্ত্রণা কমাতে এবং নিয়মিত অনুশীলনের সাথে কঠোরতা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। 

শরীরের ব্যবহার এবং নড়াচড়াই জয়েন্টের অস্বস্তি দূর করার সর্বোত্তম উপায়। আমরা এই মওসুমে শীতের কঠোরতা দূর করতে সেরা যোগাসনগুলি নিয়ে আলোচনা করব।

যোগচিকিৎসা


ওয়ার্মআপের জন্য স্পট জগিং করুন। তারপর খালি হাতে ব্যায়াম থেকে ১, ২, ৩, ৪, ৫ ও ৮ নং ব্যায়াম অনুশীলন করুন।


তারপর ২/৩ মিনিট শবাসন-এ বিশ্রাম করবেন। 

এরপর উষ্ট্রাসনপশ্চিমোত্তানাসনমার্জার্যাসন-বিটিলাসনঅর্ধমুখ শবাসন এবং ভুজংগাসন নিয়ম অনুযায়ী অভ্যাস করুন। 

সবশেষে ৫ মিনিট শবাসন করে রোজকার ব্যায়াম শেষ করুন।

সতর্কতা

যাদের হৃদরোগ আছে বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী যারা তাদের জন্য মাথা নিচু করে যেসব আসন করতে হয় সেগুলো করা নিষেধ।

সেক্ষেত্রে ব্যায়াম অভ্যাসকারীর জন্য (১ ) শীর্ষাসন, (২) শশাংগাসন, (৩) পদহস্তাসন, (৪) হলাসন,(৫) উড্ডীয়ান, (৬) ময়ূরাসন, (৭) বিপরীতকরণী মুদ্রা ও (৮) মৎস্যাসন অভ্যাস করা সম্পূর্ণ নিষেধ।

উপসংহার

এ যুগে মানুষের রোগের শেষ নাই। তাই নিজ নিজ সমস্যা অনুযায়ী ৫/৬টি খালি হাতে ব্যায়াম অভ্যাস করুন। 

 

তারপর প্রয়োজন মতো ৫/৬টি আসন নির্বাচন করুন। সেই অনুযায়ী অভ্যাস করুন। 

 

এরপর সমস্যা অনুযায়ী মুদ্রাও অভ্যাস করতে পারেন। কিছু রোগে এটি প্রয়োজনীয়।

  

সবশেষে প্রয়োজন হলে প্রাণায়াম নির্বাচন করে অভ্যাস করুন।  

 

সর্বোপরি, অসুস্থদের যোগব্যায়ামের নিয়মকানুন ভালভাবে পড়ে নেবেন। সুস্থদের যোগব্যায়ামের নিয়মকানুনও  জেনে রাখুন। 

 

এছাড়া কেন যোগব্যায়াম করবেন সেটি দেখে নিন। দ্রুত ফল পাবেন। 

 

যোগব্যায়ামকারীর খাদ্য সম্পর্কে জানুন এবং যোগব্যায়ামকারীদের অবশ্যই যে বিষয়গুলো জানা দরকার সেগুলো ভালো করে পড়ে নিন।