সাধারণ সুস্থ মানুষের যোগব্যায়াম করারও কিছু নিয়ম আছে। সেগুলো আগে জানতে হবে। ভাল ফলাফল পেতে ব্যায়ামের পাশাপাশি সাধারণ নিয়মকানুন জানাও খুবই দরকার। এক্ষেত্রে সুস্থদের যোগব্যায়ামের নিয়মকানুন ভালভাবে পড়ে নিন।


এই বয়সের প্রথম ব্যায়াম অভ্যাসকারীর প্রথমে প্রথম এক মাস 
১০ থেকে ১২ বছর বয়সীদের যোগব্যায়াম করতে হবে। দ্বিতীয় এক মাস ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের যোগব্যায়াম অভ্যাস করতে হবে। 


এক মাস পর নিচের তালিকা অনুযায়ী খালি হাতে ব্যায়াম করতে হবে- 

খালি হাতে ব্যায়াম-১

খালি হাতে ব্যায়াম-২

খালি হাতে ব্যায়াম-৩

খালি হাতে ব্যায়াম-৫

খালি হাতে ব্যায়াম-৬

খালি হাতে ব্যায়াম-৭

খালি হাতে ব্যায়াম-৮


প্রথমে খালি হাতে ব্যায়াম শেষ করার পর ২/৩ মিনিট শবাসন করতে হবে। শবাসন শেষ হলে নিচের আসনগুলো করতে হবে। 



পদহস্তাসন







উক্ত আসনগুলো করার পর পাঁচ মিনিট শবাসন করে ব্যায়াম শেষ করতে হবে।

উপকারিতা 

পায়ের বাত ও সায়টিকা বাত ও কটিবাত হবে না। থাকলেও সেরে যাবে।


পাইলস (অর্শ) হবে না। থাকলেও নিরাময় হবে।


মূত্রপ্রদাহ থেকে মুক্ত থাকা যাবে।


নিদ্রাহীনতা (ইন্‌সম্‌নিয়া) আপনার থেকে দূরে থাকবে।


যৌন ইচ্ছা দমন করে কামরিপুকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখবে। 


স্বপ্নদোষের সমস্যা থাকবে না।


কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্ত থাকবেন।


মেরুদণ্ড নমনীয় অথচ সবল হওয়ায় বার্ধক্য সহজে আক্রমণ করতে পারবে না। যৌবন দীর্ঘস্থায়ী হবে।


বাঁকা মেরুদণ্ড সোজা হবে।


এডরেনাল গ্রন্থির কাজ ভাল হবে।


কিড্‌নি ভাল থাকবে।


তলপেটের সংকোচনের দরুন পাকস্থলী, যকৃৎ, পাচনতন্ত্র, মূত্রাশয় ও প্যানক্রিয়াস প্রভৃতি পুষ্ট হওয়ায় কোষ্ঠবদ্ধতা, অজীর্ণ, ডায়াবেটিস প্রভৃতি দুর করতে সাহায্য করবে এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে।


যাদের নিচের অঙ্গ উপরের অঙ্গের চেয়ে ছোট, তারা এই আসন কিছুদিন অভ্যাস করলে সহজেই দেহের সামঞ্জস্যতা ফিরে আসবে।


উচ্চতা বৃদ্ধিরও সহায়ক এই তালিকার ব্যায়ামগুলো।


রক্তাল্পতা রোগীর ভাল থাকবে।


উচ্চ রক্ত চাপাক্রান্ত রোগীরা ভাল থাকবেন।


যকৃত, প্লীহা ও পাকস্থলীর দুর্বলতাজনিত রোগ সেরে যাবে।


পেট থেকে বায়ু নিঃসরণে সহায়তা করে পেটের পেশীকে সবল করবে, পেটের চর্বি কমাবে এবং জানুর ও পাছার পেশীর স্থিতিস্থাপকতা বাড়াবে।


থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে দুর হবে।


স্নায়ুমন্ডলীকে রক্তে গ্লাবিত ও ধৌত করার কারণে নিরোগ থাকা যাবে।


যৌবনকে দীর্ঘস্থায়ী হতে সাহায্য করবে।


ম্যালেরিয়ায় ক্রমাগত ভোগার দরুন যাদের প্লীহা বড় হয়েছে, যাদের হাঁপানি আছে, তাদের জন্য এই তালিকার ব্যায়াম খুবই উপাকরী।


স্বপ্নদোষ ও শুক্রহীনতা প্রভৃতি নিরাময় হয়, স্ত্রী-পুরুষদের যৌনগ্রন্থি সঞ্জীবিত হয়; পুরুষের অণ্ডকোষ ও নারীদের গর্ভাশয়ের দুর্বলতা সহজে আরোগ্য হয়।


ঘাড়ের কঠিনতা ও আড়ষ্টভাব দূর হবে। যাদের ঘাড় ব্যাথা হয় তারা মুক্তি পাবেন।


পাঁজরের হাড় বাড়িয়ে বুকের খাঁচা বড় করে। পায়রার বুকের মতো তাদের বুকের গঠন স্বাভাবিক হবে।


শ্বাসনালী মোটা করে ফুসফুসের শক্তি বৃদ্ধি করে।


হাঁপানি সারাতে সাহায্য করবে।


পেটে চর্বি জমতে পারে না এবং জানু ও পাছার পেশীর স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায়।