বেশিরভাগ মহিলাই তাদের স্তনের আকার নিয়ে খুশি নন। বড় স্তনের মহিলারা তাদের স্তনের আকার কমানোর চেষ্টা করছেন যখন অন্যরা তাদের স্তন বড় করার চেষ্টা করছেন। 

স্তনের আকার আসলে মহিলাদের আত্মবিশ্বাসকে প্রভাবিত করে। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে বড় স্তন থাকলে তাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং তারা স্তনের আকার বাড়ানোর জন্য কসমেটিক সার্জারি করান। 


অনেক মহিলা পূর্ণাঙ্গ আবক্ষ পেতে বড় টাকা দিতেও প্রস্তুত। অনেক মহিলা তাদের স্তন বড় করার জন্য তেল, জেল বা অন্যান্য চিকিত্সা পদ্ধতি ব্যবহার করেন। 


যাইহোক, এটা পরিলক্ষিত হয় যে এই চিকিৎসাগুলোর বেশিরভাগই ব্যয়বহুল এবং ঝুঁকির তুলনায় ন্যূনতম ফলাফল দেয়। সৌভাগ্যক্রমে, এমন কিছু ব্যায়াম রয়েছে যা আপনাকে বড় স্তন অর্জনে সহায়তা করতে পারে। 


প্রাকৃতিকভাবে আপনার স্তনের আকার বাড়াতে এখানে কিছু যোগাসন বা যোগাসন রয়েছে। এই যোগাসনগুলো স্তনে ব্লাড সার্কুলেশন বাড়িয়ে স্তনের আকার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 


চিকিৎসা


ওয়ার্মআপের জন্য স্পট জগিং করুন। তারপর খালি হাতে ব্যায়াম থেকে নং ১, নং ৪, নং ৬, নং ৯, এবং নং ১০ ব্যায়াম অনুশীলন করুন।


তারপর ২/৩ মিনিট শবাসন-এ বিশ্রাম করবেন। 


এরপর গোমুখাসন, ভুজংগাসন, উষ্ট্রাসন, স্তব্ধাসনচক্রাসন এবং দ্বিকোণাসন নিয়ম অনুযায়ী অভ্যাস করুন। 


সবশেষে ৫ মিনিট শবাসন করে রোজকার ব্যায়াম শেষ করুন। 


অন্যান্য উপকারিতা


পায়ের বাত, সায়টিকা বাত, অর্শ, মূত্রপ্রদাহ ও নিদ্রাহীনতা (ইন্‌সম্‌নিয়া) দুর করে।


কামেচ্ছা দমন করে কামরিপুকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখে। 


মেরুদণ্ডের কাঠিন্য দূর করে একে নমনীয় করে এবং মেরুদণ্ডে অধিক রক্ত পাঠিয়ে স্নায়ুমণ্ডলীকে সতেজ করে। মেরুদণ্ডের অগ্রমুখী বক্রতা সেরে যায়।


কোমরে বাত হতে পারে না


হৃৎপিন্ড সবল ও বুকের গঠন সুন্দর হয়।

হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়।


মেয়েদের ঋতু রোগ ও শ্বেত প্রদরাদি স্ত্রীরোগ আরোগ্য হয়।


এডরেনাল গ্রন্থির কাজ ভাল হয় এবং কুলকুন্ডলিনী শক্তি জাগরিত হন।


দেহ বৃদ্ধ বয়সেও বার্ধক্য ও জরাগ্রস্ত হয় না।বার্ধক্যকে ঠেকিয়ে রাখে।


বুকের বেষ্টনীর হাড় বাড়ে। বুকের খাঁচার আকার বৃদ্ধি পায়।


কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে যায়।


অভ্যাসে হাঁপানি সেরে যায়।


কাঁধের পেশীর পাশাপাশি কলার বোনের আড়ষ্ঠতা কমে। হ্যামস্ট্রিং পেশী সুদৃঢ় হয়। বাঁকানো ও অসম কাঁধের গঠন স্বাভাবিক হয়।

ফুসফুসের অপ্রয়োজনীয় বাতাস বেরিয়ে যায়।  

মাংসপেশীর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

শিরার মধ্যে ভালভাবে রক্ত সঞ্চালিত হওয়ায় ক্লান্তি সহজে দুর হয়ে যায়।

উচ্চ রক্তচাপাক্রান্ত রোগীদের এই ব্যায়াম  বিশেষ প্রয়োজন।

সতর্কতা


যাদের হৃদরোগ আছে বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী যারা তাদের জন্য মাথা নিচু করে যেসব আসন করতে হয় সেগুলো করা নিষেধ।


সেক্ষেত্রে ব্যায়াম অভ্যাসকারীর জন্য (১ ) শীর্ষাসন, (২) শশাংগাসন, (৩) পদহস্তাসন, (৪) হলাসন,(৫) উড্ডীয়ান, (৬) ময়ূরাসন, (৭) বিপরীতকরণী মুদ্রা ও (৮) মৎস্যাসন অভ্যাস করা সম্পূর্ণ নিষেধ।


উপসংহার

 

এ যুগে মানুষের রোগের শেষ নাই। তাই নিজ নিজ সমস্যা অনুযায়ী ৫/৬টি খালি হাতে ব্যায়াম অভ্যাস করুন। 

 

তারপর প্রয়োজন মতো ৫/৬টি আসন নির্বাচন করুন। সেই অনুযায়ী অভ্যাস করুন। 

 

এরপর সমস্যা অনুযায়ী মুদ্রাও অভ্যাস করতে পারেন। কিছু রোগে এটি প্রয়োজনীয়।

  

সবশেষে প্রয়োজন হলে প্রাণায়াম নির্বাচন করে অভ্যাস করুন।  

 

সর্বোপরি, অসুস্থদের যোগব্যায়ামের নিয়মকানুন ভালভাবে পড়ে নেবেন। সুস্থদের যোগব্যায়ামের নিয়মকানুনও  জেনে রাখুন। 

 

এছাড়া কেন যোগব্যায়াম করবেন সেটি দেখে নিন। দ্রুত ফল পাবেন। 

 

যোগব্যায়ামকারীর খাদ্য সম্পর্কে জানুন এবং যোগব্যায়ামকারীদের অবশ্যই যে বিষয়গুলো জানা দরকার সেগুলো ভালো করে পড়ে নিন।