যোগব্যায়ামে আমাশয় নিরাময়
সবশেষে পাঁচ মিনিট শবাসন করে ব্যায়াম শেষ করতে হবে।
অন্যান্য উপকারিতা
মলত্যাগ সহজ হয়।
যকৃত, প্লীহা ও পাকস্থলীর দুর্বলতাজনিত রোগ সেরে যায়।
পেটের পেশীকে সবল হয় ও পেটের চর্বি কমায়।
জানু ও পাছার পেশীর স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়।
যকৃত ও পেটের অসুখ সারে এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়।
আমাশয়ের পাশাপাশি পেটের সব রোগ নিরাময় করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে যায়।
কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
যৌন মিলনে অক্ষম ব্যক্তিদের সক্ষম হতে সাহায্য করে।
হাঁপানি সেরে যায়।
মাংসপেশির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
শিরার মধ্যে ভালভাবে রক্ত সঞ্চালিত হওয়ায় ক্লান্তি সহজে দুর হয়ে যায়।
উচ্চ রক্তচাপাক্রান্ত রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী।
সতর্কতা
যাদের হৃদরোগ আছে বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী যারা তাদের জন্য মাথা নিচু করে যেসব আসন করতে হয় সেগুলো করা নিষেধ।
সেক্ষেত্রে ব্যায়াম অভ্যাসকারীর জন্য (১ ) শীর্ষাসন, (২) শশাংগাসন, (৩) পদহস্তাসন, (৪) হলাসন,(৫) উড্ডীয়ান, (৬) ময়ূরাসন, (৭) বিপরীতকরণী মুদ্রা ও (৮) মৎস্যাসন অভ্যাস করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
উপসংহার
এ যুগে মানুষের রোগের শেষ নাই। তাই নিজ নিজ সমস্যা অনুযায়ী ৫/৬টি খালি হাতে ব্যায়াম অভ্যাস করুন।
তারপর প্রয়োজন মতো ৫/৬টি আসন নির্বাচন করুন। সেই অনুযায়ী অভ্যাস করুন।
এরপর সমস্যা অনুযায়ী মুদ্রাও অভ্যাস করতে পারেন। কিছু রোগে এটি প্রয়োজনীয়।
সবশেষে প্রয়োজন হলে প্রাণায়াম নির্বাচন করে অভ্যাস করুন।
সর্বোপরি, অসুস্থদের যোগব্যায়ামের নিয়মকানুন ভালভাবে পড়ে নেবেন। সুস্থদের যোগব্যায়ামের নিয়মকানুনও জেনে রাখুন।
এছাড়া কেন যোগব্যায়াম করবেন সেটি দেখে নিন। দ্রুত ফল পাবেন।
যোগব্যায়ামকারীর খাদ্য সম্পর্কে জানুন এবং যোগব্যায়ামকারীদের অবশ্যই যে বিষয়গুলো জানা দরকার সেগুলো ভালো করে পড়ে নিন।
