স্বাস্থ্যাসন অভ্যাসে আমাদের শরীরের স্নায়ুগুলো অধিক সবল হয়, তত্ত্ব ও পেশীগুলো সুগঠিত হয় এবং আমাদের দেহস্থ রোগ প্রতিরোধক শক্তি অধিকতর কার্যকর হওয়ায় দেহে প্রবেশকারী রোগজীবাণু সহজে ধ্বংপ্রাপ্ত হয়।

ফলে দেহ নীরোগ হওয়ায় দেহ-মন একত্রে সর্বকার্যের উপযুক্ত হয়। ধ্যানাসন-এর মতো স্বাস্থ্যাসন যখন তখন দিনে যতবার খুশী বা যতক্ষণ ইচ্ছা অভ্যাস করা যায় না।

স্ত্রী-পুরুষ ভেদে, বয়স ও শরীরের অবস্থাভেদে এই আসন অভ্যাস করতে হয়। এই সাইটে যে সমস্ত স্বাস্থ্যাসন সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে, সেগুলো কতক্ষণ, কতবার অভ্যাস করতে হবে, সে সম্বন্ধে প্রতি আসন অভ্যাসের প্রণালী বর্ণনাকালে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।

কিন্তু এই নির্দেশ সাধারণ স্বাস্থ্যবান তরুণ ও সাধারণ স্বাস্থ্যবতী তরুণীদের উপযোগী।

যারা অপেক্ষাকৃত দুর্বল, তারা প্রদত্ত মাত্রা অপেক্ষা কিঞ্চিৎ কম মাত্রায় প্রতি আসন অভ্যাস করবে, আর যারা রোগী তারা যোগ ব্যায়াম বিশেষজ্ঞের নির্দেশ মত চলবে।

৫ থেকে ১০ বছর বয়সের বালক-বালিকারা এই সাইটে দেওয়া ধ্যানাসনগুলি ও স্বাস্থ্যাসনগুলি অর্ধমাত্রায় অভ্যাস করলে দ্রুত স্বাস্থ্যোন্নতি হবার সম্ভাবনা থাকে।

স্বাস্থ্যাসন অভ্যাসকালে দম স্বাভাবিকভাবে নিতে ও ছাড়তে হয়।

স্বাস্থ্যাসনগুলো হলো-

শবাসন, ভুজংগাসন, শলভাসন, অর্ধশলভাসন, ধনুরাসন, চক্রাসন, পূর্ণ চক্রাসন, বৃশ্চিকাসন, অর্ধচন্দ্রাসন, পদহস্তাসন, ত্রিকোণাসন, শশাংগাসন, উষ্ট্রাসন, পূর্ণ উষ্ট্রাসন, অর্ধমৎস্যেন্দ্রাসন, পূর্ণ মৎস্যেন্দ্রাসন, পশ্চিমোত্তানাসন, হলাসন, কর্ণপিঠাসন, ময়ূরাসন, বদ্ধ ময়ূরাসন, পবন মুক্তাসন, উত্থিত পদ্মাসন, অর্ধকূর্মাসন, আকর্ণ ধনুরাসন, জানুশিরাসন, দণ্ডায়মান জানুশিরাসন, তোলাঙ্গুলাসন, ব্যাঘ্রাসন, দণ্ডায়মান একপদ শিরাসন এবং ওঁকারাসন।